লিটন’কে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা হতে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১০।

0 ১০২

রাজবাড়ী জেলার সদর থানা এলাকায় চাঞ্চল্যকর ৪র্থ শ্রেণীতে পড়ুয়া নাবালিকা শিশুকে অপহরণ করে ধর্ষণ মামলার পলাতক প্রধান আসামী লিটন’কে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লা হতে গ্রেফতার করেছে র‌্যাব-১০।

নিজস্ব সংবাদদাতা:

র‌্যাব-১০ এর একটি আভিযানিক দল গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে নারায়ণগঞ্জ জেলার ফতুল্লা এলাকায় একটি অভিযান পরিচালনা করে। উক্ত অভিযানে রাজবাড়ী জেলার রাজবাড়ী সদর থানার মামলা নং- ০৩, তারিখ- ০২/১০/২০২৩ খ্রিঃ, ধারা- নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধনী ২০০৩) এর ৭/৩০/৯(১); চাঞ্চল্যকর ৪র্থ শ্রেণীতে পড়ুয়া নাবালিকা শিশুকে অপহরণ ও ধর্ষণ মামলার পলাতক প্রধান আসামী লিটন উদ্দিন (৩৬), পিতা-মৃত হাফিজ উদ্দিন, সাং-রামকান্তপুর তালুকদারপাড়া, থানা-রাজবাড়ী সদর, জেলা-রাজবাড়ী’কে গ্রেফতার করে।

 

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, ৪র্থ শ্রেণীতে পড়ুয়া স্কুল ছাত্রী ভিকটিম (১২) রাজবাড়ী জেলার রাজবাড়ী সদর থানা এলাকায় তার বাবা মায়ের সাথে একত্রে বসবাস করে আসছে। ভিকটিম স্কুলে যাওয়া-আসার সময় আসামি লিটন প্রায়ই ভিকটিমকে বিভিন্ন প্রকার প্রলোভন দেখিয়ে তাকে কু-প্রস্তাব দিতো। ভিকটিম লিটনের কু-প্রস্তাবে কোনো সাড়া না দিয়ে ঘটনাটি তার বাবাকে জানালে ভিকটিমের বাবা আসামি লিটনকে বলে যে, সে যেন ভিকটিমকে কখনো উত্যক্ত না করে নতুবা তারা আইনের আশ্রয় নিতে বাধ্য হবে।

 

অতঃপর আসামি লিটন ভিকটিমের বাবার উপর ক্ষিপ্ত হয়ে গত ২৪/০৯/২০২৩ খ্রিঃ তারিখ আনুমানিক সকাল ১০:৩০ ঘটিকায় ভিকটিম তাদের নিজ বাড়ী হতে স্কুলে যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাসা হতে বের হয়ে রাস্তায় পৌছা মাত্র আসামি লিটন ও অজ্ঞাতনামা আরও দুই (০২) জন আসামির সহযোগীতায় অপহরণ করার উদ্দেশ্যে ভিকটিমকে জোর পূর্বক একটি মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে যায়। পরবর্তীতে আসামি লিটন রাজধানী ঢাকায় তার ভাড়া করা অজ্ঞাতনামা একটি বাসায় ভিকটিমকে আটকে রেখে জোর পূর্বক তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে একাধিকবার ধর্ষণ করে।

 

গত ২৭/০৯/২০২৩ খ্রিঃ তারিখে ভিকটিম কৌশলে আসামি লিটনের হাত থেকে পালিয়ে এসে তার বাবা মাকে ঘটনাটি বিস্তারিতভাবে খুলে বলে। উক্ত ঘটনার পর ভিকটিমের বাবা তার আত্মীয়-স্বজনদের সাথে পরামর্শ করতঃ বাদী হয়ে ধর্ষক লিটন ও তার অপর দুই সহযোগীসহ তিন (০৩) জনের বিরুদ্ধে রাজবাড়ী জেলার রাজবাড়ী সদর থানায় একটি অপহরণ করে ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। মামলার বিষয়টি জানতে পেরে লিটনসহ অন্যন্যা আসামিরা আত্মগোপনে চলে যায়।

Leave A Reply

Your email address will not be published.